চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
চট্টগ্রামে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি সাইবার মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল শুনানি শেষে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রিদুয়ান সিদ্দিকী বাদী হয়েছে মামলাটি দায়ের করেন।
বিবাদীরা হলেন, সাংবাদিক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার, শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, নাসির উদ্দিন হায়দার, রতন কান্তি দেবাশীষ, মহসিন কাজী, সবুর শুভ ও চৌধুরী ফরিদ।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার তার ফেসবুকে “মুখে বৈষম্যবিরোধী, ভেতরে অন্য খেলা।” পোস্ট দেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘চট্টগ্রামে ‘বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়ক’ সেজে ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থার একদল গুপ্ত কর্মী তথ্যমন্ত্রী Zahir Uddin Swapon কে রীতিমতো বোকা বানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে। সেখানে দাবি, “ফ্যাসিস্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, এবং চট্টগ্রামের গণমাধ্যমকে পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হবে। ঘটনাটি যতটা নাটকীয়, পেছনের কাহিনি ততটাই বিতর্কিত। বহুদিন ধরেই আলোচনায় আছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুয়ার আসর থেকে মাসে মাসে ভাগ নিচ্ছিল একদল সমন্বয়ক। এখন জুয়া বন্ধ হতেই তাদের কেউ কেউ অস্থির, ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকা কেউ কেউ দেখলাম মন্ত্রীকে জ্ঞান দিচ্ছিল। আরেক কথিত সমন্বয়ক গত দেড় বছর চাঁদা তুলে এখন বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সেলফি তুলে চাঁদাবাজির নতুন দোকান খোলার অপেক্ষায় এদের দিকে নজর রাখুন। এরাই এখন গণমাধ্যমকে পাঠ দিচ্ছে। জুলাইয়ের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটার দিন এবার শেষ হওয়া দরকার।”
এ পোস্টে সাংবাদিক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার মন্তব্য করে যে, “এই দখল ধরে রাখতে তারা প্রথম দিকে সমন্বয়ক রাসেল রাফিকে ব্যবহার করে, সাথে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে। এখন আবার কথিত বৈষম্যবিরোধীদের দিয়েই প্রেস ক্লাবে বৈষম্য দীর্ঘস্থায়ী করে রাখতে চায় তারা।’
নাসির উদ্দিন হায়দার তাহার আইডি থেকে মন্তব্য করে যে, “বৈষম্য ব্যবসা আর কত?” রতন দেবাশীষ প্রতিউত্তরে মন্তব্য করেন যে, “ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পথে”, তাই…….।” মহসিন কাজী মন্তব্য করে যে, “ভংচং এর দিন ফুরিয়ে আসছে”। সবুর শুভ ও চৌধুরী ফরিদ তাদের ফেইসবুক আইডি থেকে ১নং আসামীর পোস্টে হা হা এবং লাইক রিয়েক্ট দেন।
Leave a Reply