নেতৃত্ব দেওয়া মাইকেলসহ ৯ জন গ্রেপ্তার
শিশির মাহমুদ
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী ডেভিট ইমন দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ডিজিটাল ডট নেট(ডিডিএন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেন রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল, সামি ও রাজু। এ তিন জন চট্টগ্রামর রাউজান, বাকলিয়া, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহ করেন। সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের নির্দেশে তিন ভাগে ভাগ হয়ে হামলা ও ভাংচুর চালায় তারা। ভাংচুরে সরাসরি অংশ নেয় ২০ জনের একটি দল। একটি দল অফিসের অবস্থান নেয়। আরেকটি দল পুলিশ আসছে কিনা সড়কে পাহারায় ছিল। গতকাল রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল হাফিজুর রহমান। এ অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা ও নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল রয়েছে। বাকি ৮ আসামি হলেন, মো. তুহিন, আকবর হোসেন, মো. আবদুল মুমিন, মো. মাসুদ মিয়া, মো. দিদার মিয়া, মো. সানজাত হাসান, সৈকত হোসেন ও মো. সাইফুদ্দিন।
র্যাব অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, রাউজান, বাকলিয়া, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসে করে লোক এনে প্রথমে বহদ্দারহাট মোড়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সিএনজিতে করে বাকলিয়া এক্সেস রোডে অবস্থান নেন। সেখানে সবাইকে মাইকেল ব্রিফ করেন কিভাবে ভাংচুর করা হবে, কিভাবে ফিরে আসা হবে। সন্ত্রাসী ইমন প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে ফোন করে দুই কোটি টাকা এককালীন চাঁদা, মাসিক ১০ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করে না পেয়ে এ তার নির্দেশে এ হামলা চালানো হয।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক(গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গত ১৩ জুলাই সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে হামলার অন্যতম সংগঠক মাইকেলও রয়েছে।
এর আগে ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের(সিএমপি) চকবাজার থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে আরো আট জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন- মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. সুমন, মো. মনির ওরফে কেহেরমান, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. নয়ন ও মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ।
Leave a Reply