চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম মহানগরের অফিস-আদালতে ঈদের আমেজ এখনো কাটেনি। গতকাল মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর, শব-ই কদর, সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৭ দিনের ছুটি শেষে অফিস-আদালত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে অনেকে ছুটি নেওয়ায় উপস্থিতি কম ছিল। নগরের প্রধান সড়কগুলোতে ছিল হালকা যানবাহনের চাপ। অলিগলির দোকান-পাঠও বন্ধ রয়েছে। তবে প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় ব্যস্ততা কিছুটা কম থাকলেও সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সরব ছিল একে অপরের।
চট্টগ্রাম চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঈদের ছুটির পর আদালতের কার্যক্রম চালুর প্রথম দিন বিচারপ্রার্থী মানুষের উপস্থিতি অন্য সময়ের তুলনায় কম ছিল। যথাসময়ে সকল কর্মচারি ছুটি কাটিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত হয়েছে। অনেকে ছুটিতে থাকায় তারা আসেননি। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সহকর্মীদের একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ও করছেন।
জনতা ব্যাংক নগরের আন্দরকিল্লা শাখার ম্যানেজার মো. ইউসুফ চৌধুরী বলেন, ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে প্রাহকের চাপ তেমন একটা ছিল না। এখনো বহু মানুষ গ্রাম থেকে শহরে ফিরেননি। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পুরোপুরি জমে উঠবে।
চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন, ঈদ করতে শহর থেকে প্রচুর মানুষ গ্রামে গেছেন। তাদের শহরে ফিরতি যাত্রা নির্বিঘœ রাখতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যত্মবান ও সতর্ক রয়েছে। সড়কে গাড়ির কোন শিডিউল বিপর্যয় হয়নি। যাত্রীরা ঝামেলা ও ভোগান্তি ছাড়াই শহরে ফিরছেন।
মঙ্গলবার শহরের বেশ কয়েকটি ঘুরে দেখা যায়, বড় বড় শপিং মল বন্ধ রয়েছে। মোড়ে মোড়ে ও অলি-গলিতে দুই একটি খাবারের দোকান খোলা রয়েছে। তবে অধিকাংশ দোকানই বন্ধ রয়েছে। নগরের সিটি গেইট, অক্সিজেন ও নতুন ব্রীজ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নগরে ফেরা মানুষের খুব নেই ভিড়। নগরের বহদ্দারহাট, অলংকার, দামপাড়া, সিনেমা প্যালেস, অক্সিজেন মোড় ও বিআরটিসি পয়েন্টগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। শহরে ফিরে আসা যাত্রীরা জানান, যাওয়ার সময় কিছুটা ভিড় ও চাপ থাকলেও ফেরার পথে যাত্রা ছিল তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। গ্রামে যাওয়ার সময় ভাড়া একটু বেশি নিলেও ফেরার সময় সাধারণ সময়ের তুলনায় ভাড়া নিচ্ছেন গাড়ির মালিকরা।
Leave a Reply