চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামে জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির দুই দল নেতা সাহাব উল্লাহ ও জহিরুল ইসলামকে পাঁচ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামি সন্দ্বীপ উপজেলার সমবায় কর্মকর্তা কেফায়েত উল্লাহকে দুই মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান এর আদালত এ রায় দেন বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের কোর্ট ইন্সপেক্টর বিপ্লব ঘোষ। দন্ডিত দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
চার্জশিটে উল্লেখ দুদক উল্লেখ করেন, সরকার জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির আওতায় জলোচ্ছাসে ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরী পুর্ণবাসন প্রকল্পের আওতায় বোট, মাছ ধরার জাল, অন্যান্য সরঞ্জামাদি কিনতে ১৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। কিন্তু দুর্নীতি দমন ব্যুরো তদন্তে নেমে দেখেন ভুয়া মৎস্যজীবীদের নাম, ঠিকানা ও জমি দেখিয়ে সহায়তার তথ্য আত্মসাত করেন। এ ঘটনায় ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর একটি গ্রুপের কথিত দলনেতা সাহাব উল্লাহ ও সন্দ্বীপ উপজেলার সমবায় কর্মকর্তা কেফায়েত উল্লাহ’র বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন ব্যুরো।
একইভাবে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে ফিশিং বোট, সরজ্ঞামাদি ও নগদ টাকা সুবিধার ১৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে কথিত দলনেতা জহিরুল ইসলাম ও সন্দ্বীপ উপজেলার সমবায় কর্মকর্তা কেফায়েত উল্লাহ’র বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন ব্যুরো। ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির জরুরী পুর্ণবাসন প্রকল্পে লোচ্ছাসে ্ক্ষতিগ্রস্ত মৎসজীবীদের জন্য বোট, মাছ ধরার জাল, অন্যান্য সরঞ্জামাদি কিনতে সহায়তার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
Leave a Reply