চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস
চট্টগ্রাামের লোহাগাড়ায় চুনতি অভয়ারণ্যের কুলপাগলী ছড়ায় অবৈধভাবে দেওয়া বাঁধ অপসারণ করেছে প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ছড়ায় দেওয়া বাঁধটি কেটে অপসারণ করেন। এর আগে গত শুক্রবার বাঁধটি প্রথমে বন বিভাগ অপসারণ করেছিল। তবে রাতের আঁধারে বাঁধটি আবার নির্মাণ করে দুষ্কৃতিকারীরা। একবার কাটার পরও আবার বাঁধ দিল কারা।
লোহাগাড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় বাঁধটি অপসারণের অভিযানে নেতৃত্ব দেন লোহাগাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন। এ সময় চুনতি অভয়ারণ্য এলাকার বিট কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার তরফদার উপস্থিত ছিলেন।
চুনতি অভয়ারণ্য বিট কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার তরফদার বলেন, কৃত্রিম বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ায় চুনতি অভয়ারণ্যে পানি সংকট তৈরি হয়। শুক্রবার বন বিভাগ বাঁধটি অপসারণ করলেও তারা আবার বাঁধটি তৈরি করে। এবার উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ যৌথভাবে বাঁধটি আবার অপসারণ করা হলো। এতে কৃষকদের চাষাবাদের সমস্যা তৈরি হয়। বনে পানি সংকটের জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, চুনতি অভ্যয়ারণ্যের গহিন অরণ্য থেকে কুলপাগলীর ছড়াটির উৎপত্তি হয়ে অভয়ারণ্যের বুক জুড়ে প্রবাহিত হয়ে এটি সাঙ্গু নদীতে গিয়ে মিশে গেছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি অভয়ারণ্যের গোলাইম্মাঘোনা এলাকায় বাঁধ তৈরি করেন। বাঁধটির দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট ও প্রস্থ ৪ ফুট। শুষ্ক মৌসুমে এ বাঁধের পানি থেকে কৃষকদের ধান ক্ষেতে সেচ দেওয়া হয়। বাঁধের কারণে অভয়ারণ্য এলাকায় পানির সংকট তৈরি হয়।
Leave a Reply