নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব/ পদ্মা অয়েলের ম্যানেজারসহ চারজন সাসপেন্ড ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে খুন বিএনপির তোপের মুখে/ চা খেতে সাবেক মেয়র মনজুর বাসায় এনসিপির হাসনাত চট্টগ্রামে বস্তি থেকে থানা লুটের বিদেশি পিস্তল উদ্ধার আজব কান্ড/ বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে দৌড়ালেন ঠিকাদার গুরুতর অসুস্থ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে নেওয়ার সম্ভাবনা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের কারাগার থেকে মুক্তি ১০০ টাকার বিরোধে খুন, এক আসামির যাবজ্জীবন ইট দিয়ে থেঁতলিয়ে রিয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী দিদার খুন
যৌথবাহিনীর অভিযান/দীর্ঘ ২০ বছর পর সলিমপুরে কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা দাবি রেঞ্জ ডিআইজির

যৌথবাহিনীর অভিযান/দীর্ঘ ২০ বছর পর সলিমপুরে কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা দাবি রেঞ্জ ডিআইজির

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মো. আহসান হাবীব পলাশ। তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে দীর্ঘ ২০ বছর পুলিশের কমান্ট ছিল না। পুলিশ এ যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এখন কমান্ড প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। এখানে মানুষ ও প্রশাসন যেতে ভয় পেতো। মানুষের ভয় কাটানোর জন্য সলিমপুরে অভিযান করা হয়েছে। যৌথ অভিযানের কারণে সন্ত্রাসীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এখন নিয়মিত চেক পোস্ট করবো, টহল টিম যাবে। এখানে সহজে যাওয়া যায় সে জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করবে জেলা প্রশাসন। এখন রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থা।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, জঙ্গল সলিমপুর থেকে ৭.৬২ বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মায়ানমারে ব্যবহার করা হয় এমন গুলিও। জঙ্গল সলিমপুরে এসব গুলি ও অস্ত্র কোথা থেকে এলো, কারা তা ব্যবহার করছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সন্ত্রাসীদের কারা পৃষ্টপোষকতা দিয়ে আসছিল এ প্রশ্নে ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ বলেন, কিছু সুবিধাভোগী ভূমিদুস্যরা সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, সহায়তা করে। এখানে প্রায় লাখো মানুষ আছে তাদেরকে পুণর্বাসনে সরকার কাজ করবে। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জিআইডি আহসান হাবীব পলাশ আরো বলেন, এতো বড় অভিযান পরিচালনা করতে গেলে কিছু দূর্বলতাতো থাকে। আজকে যে যুগ, সেখানে সামান্য মুভমেন্টও জানা যায়। এর চেয়ে বেশি সাফল্য আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করিনি। এখানে এখন থেকে আর কোন সন্ত্রাসী থাকতে পারবো না।
সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি লিখিত বক্তব্যে জানান, রাষ্ট্র তথা প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে ২০০৩ সাল থেকে সরকারের ৩১০০ একর খাস জমিতে ৩৪টি পাহাড় কেটে লাখো মানুষের কাছে বিক্রির উৎকৃষ্ট উদাহরণ জঙ্গল সলিমপুর। কোথাকার কোন ইয়াছিন ও জলিল মেম্বার কীভাবে কার মদদে বছরের পর বছর ধরে আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে এটি উৎকন্ঠার বিষয়। এখানে যারা জমির মালিক হয়েছে তারা কীভাবে জমি পেল, তা বাতিল করা যায় কিনা সে বিষয়ে আরোপ-আলোচনা করা হচ্ছে। এখানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সেনাবাহিনীর ৫০০ সদস্য, জেলা পুলিশের ১৫০ সদস্য, মেট্রোপলিটন পুলিশের ৮০০ সদস্য, রেঞ্জ রির্জাভ থেকে ৪০০ সদস্য, বর্ডার ১৫০ সদস্য, র‌্যাবের ৪০০ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বমোট ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্য অভিযানে অংশ নেয়। এছাড়া তিনটি হেলিকপ্টার, ১৫টি এপিসি, ৩টি ডগ স্কোয়ার্ড, ১২টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। চিরুনী অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র (১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি দেশীয় পিস্তল ও ১টি এলজি), ২৭টি পাইপগান, ৩০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৫৭টি অস্ত্র তৈরির পাইপ, ৬১টি কার্তুজ, বিভিন্ন ধরনের ১ হাজার ১১৩ রাউন্ড গুলি, ১১টি ককটেল, পাইপগান তৈরির লেদ মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও ১৯টি সিসি ক্যামেরা, থ্রীডি ডিভিআর, ১টি পাওয়ার বক্স এবং ২টি বাইনোকুলার উদ্ধার করা হয়েছে। যা অপরাধীদের নজরদারি কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, র‍‍্যাব-৭ এর সিও লে. কর্ণেল মো. হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার(এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন প্রমুখ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় গত সোমবার ভোর ৫টা থেকে জঙ্গল সলিমপুর, আলিনগর ও আশপাশের এলাকায় সমন্বিত এই অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে চারদিক ঘিরে চিরুনী অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর চারটি সাঁজোয়া যানসহ বড় একটি সেনা বহর মোতায়েন করা হয়। সকাল ১০টার পর থেকে ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি চালানো হয়। পাশাপাশি পাহাড়ি ঝোপঝাড় বা মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও বিস্ফোরক শনাক্তে ডগ স্কোয়াডও কাজে লাগানো হয়। তিন জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, জঙ্গল সলিমপুরে বর্তমানে দুটি সন্ত্রাসী পক্ষ সক্রিয়। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রোকন উদ্দিন। গত জানুয়ারিতে ওই এলাকায় অভিযানে গেলে সন্ত্রাসীদের হামলায় খুন হন র‌্যাব-৭ এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com