নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে প্রেস ব্যবসায়ীর পার্কিং থেকে রহস্যময় বিএমডিব্লিউ জব্ধ প্রথম বারের মতো চট্টগ্রামে নগরের রাস্তায় বসলো ‌’সড়ক ট্যাক্স’ মায়ানমারে পাচারের সময় ১৬ লাখ টাকার ডিএপি সার জব্ধ চট্টগ্রামে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা কারাগারে, দল থেকে বহিস্কার লবণ কারখানায় বিস্ফোরণ/ চট্টগ্রামে মাহমুদুল নামে চিকিৎসাধীন আরেক শ্রমিকের মৃত্যু ঠিকাদারের টাকায় রোড রোলারের প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ ভ্রমণ চসিক সচিব, প্রকৌশলীদের চট্টগ্রামে হত্যার পর শিশুর লাশ গুম, আসামি রুবেলের মৃত্যুদন্ড চট্টগ্রামে ডিডিএন কার্যালয় হামলা-ভাংচুর/ হামলার নেতৃত্বে তিন জন, তিন ভাগ ভাগ হয়ে ভাংচুর চট্টগ্রামে খুনের পর লাশ গুম শিশু আয়নীর মামলার রায় সোমবার এনসিটি ও সিসিটি ইজারার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি/ চট্টগ্রামে প্রতীকী গণঅনশন বন্দর রক্ষা কমিটি
‘খুঁজে পায়নি’ পুলিশ, অথচ জামিন নিলেন সাজ্জাদের ২ সহযোগী

‘খুঁজে পায়নি’ পুলিশ, অথচ জামিন নিলেন সাজ্জাদের ২ সহযোগী

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস ডেক্স
চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় প্রাইভেট কার থামিয়ে গুলি চালিয়ে দু’জনকে হত্যা মামলায় দুই আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।তারা হলেন- মোবারক হোসেন ইমন ও বোরহান উদ্দিন। তাদের মধ্যে ইমনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ সাতটি এবং বোরহানের বিরুদ্ধে হত্যাসহ আটটি মামলা রয়েছে। হত্যা মামলার এ দুই আসামিকে পুলিশ খুঁজছিল। এর মধ্যেই তারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। তবে পুলিশের দাবি, ‘সব রকম চেষ্টা’ করেও তাদের গ্রেপ্তার কার সম্ভব হয়নি।
চট্টগ্রামের অপরাধ জগতে মোবারক ও বোরহান পরিচিত সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে। কারাগারে থাকা এই ছোট সাজ্জাদ হলেন বিদেশে পালিয়ে থাকা সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী।
গত বছরের ৩০ মার্চ ভোরে নগরীর চকবাজার চন্দনপুরা এলাকায় ধাওয়া করে প্রাইভেট কারে গুলি করে বখতেয়ার হোসেন মানিক ও আব্দুল্লাহ নামের দুজনকে হত্যা করা হয়। আহত হন আরও দুজন।
হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পর নগরীর বাকলিয়া থানায় ছোট সাজ্জাদ, তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্না, মোবারক হোসেন ইমন, বোরহান উদ্দিনসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহত বখতেয়ার উদ্দিন মানিকের মা ফিরোজা বেগম।
সেসময় কারাগারে থাকা ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীর ‘পরিকল্পনায়’ খুনের ওই ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে অভিযোগ করেন নিহত বখতেয়ারের মা।
এ মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নেন আসামি মোবারক হোসেন ইমন ও বোরহান উদ্দিন। ওই জামিনের আদেশ গত সপ্তাহে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানায় পৌঁছায়।
সিএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, জোড়া খুনের মামলায় দুই আসামি মোবারক হোসেন ইমন ও বোরহান উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পেয়েছে।
আমাদের দিক থেকে তাদের গ্রেপ্তারে সবরকম চেষ্টা করেছি। শুধু আমরা না, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও চেষ্টা করেছে। এই অপরাধী চক্র একাধিক ঘটনার সাথে জড়িত, সেটা দেশবাসীও জানে। তার পরও তারা জামিন পেয়েছে। জামিন একটা আইনি প্রক্রিয়া।
ছয় সপ্তাহর জামিনের মেয়াদ শেষ হলে এ দুই আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, আইন অনুসারে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যাতে তারা চট্টগ্রামের আদালত থেকে জামিন না পায়।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি মফিজুল হক ভুঁইয়া বলেন, জোড়া খুনের মামলার দুই আসামি উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়েছে। জামিনের শর্ত অনুসারে সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বা পরে তাদের চট্টগ্রামের দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
সেক্ষেত্রে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন দিতেও পারে, নাও পারে। রাষ্ট্রপক্ষে আমাদের যতটুকু করার ততটুকু আমরা করব।
গত বছরের ৩০ মার্চ চন্দনপুরায় যে দুজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়, তারা ছিলেন আরেক সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলার অনুসারী। সেদিন ওই গাড়িতে থাকলেও প্রাণে বেঁচে যান বাবলা।
এরপর গত বছরের ৫ নভেম্বর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী খোন্দকীয়া পাড়ায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি প্রচারে গুলিতে খুন হন পুলিশের তালিকাভুক্ত ‘সন্ত্রাসী’ সরোয়ার হোসেন বাবলা।
একদিন বাদে ৭ নভেম্বর সরোয়ারের বাবা আব্দুল কাদের বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে যে হত্যা মামলাটি করেছিলেন, তাতে আসামি করা হয় মোবারক হোসেন ইমন ও বোরহান উদ্দিনকে।
ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিদেশে পালিয়ে থাকা বড় সাজ্জাদের ‘নির্দেশে’ সরোয়ার হোসেন বাবলাকে হত্যা করা হয়।
এসব ঘটনা ছাড়াও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতে আরেক সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবরকে গুলি করে হত্যা, চট্টগ্রাম নগরীতে এক ব্যবসায়ী কাছে চাঁদা না পেয়ে দুই দফায় তার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, কুয়াইশ এলাকায় জোড়া খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দুই সাজ্জাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ছোট সাজ্জাদ জেলে এবং বড় সাজ্জাদ বিদেশে পলাতক থাকলেও তাদের অনুসারীদের মাধ্যমে এসব অপরাধ সংঘটিত করে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এবং পুলিশের দাবি। এসব ঘটনায়ও বারবার মোবারক হোসেন ইমন ও বোরহান উদ্দিনের নাম এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com