নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
চবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রলীগ নেতা আলম চট্টগ্রামে ৫ মামলার আসামি পেশাদার অপরাধী সাইফুল অস্ত্রসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম/ নিউ মার্কেটের ফুটপাতে বছরে তিন কোটি টাকার চাঁদাবাজি ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব/ পদ্মা অয়েলের ম্যানেজারসহ চারজন সাসপেন্ড ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে খুন বিএনপির তোপের মুখে/ চা খেতে সাবেক মেয়র মনজুর বাসায় এনসিপির হাসনাত চট্টগ্রামে বস্তি থেকে থানা লুটের বিদেশি পিস্তল উদ্ধার আজব কান্ড/ বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে দৌড়ালেন ঠিকাদার গুরুতর অসুস্থ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে নেওয়ার সম্ভাবনা
চট্টগ্রাম-৮আসনে নাটকীয়তা/জোট প্রার্থী এনসিপির, মাঠে সরব জামায়াতের নাছের

চট্টগ্রাম-৮আসনে নাটকীয়তা/জোট প্রার্থী এনসিপির, মাঠে সরব জামায়াতের নাছের

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের মতো আলোচনায় চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও–বোয়ালখালী আংশিক) আসন ঘিরে জোট প্রার্থী নিয়ে নাটকীয় সৃষ্টি হয়েছে।। এ আসনে চলছে নানা নাটকীয়তা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা জোবাইরুল হাসান আরিফকেই শাপলা কলি প্রতীক হাতে তুলে দিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে। কিন্তু ভোটের মাঠে আগে ঘোষিত জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছেরের সমর্থনে মিছিল-সমাবেশ হচ্ছে, প্রচারণায় সরব রয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।
জানা গেছে, ১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন এনসিপি জোবায়রুল আরিফ। জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছের সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে গত ৮ দিন কোনো প্রচারণা চালাননি। তাকে ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে জামায়াত আমিরের সমাবেশেও দেখা যায়নি। কিন্তু ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করতে দেখা গেছে। ৮ দিন তিনি গণসংযোগ না করলেও স্থানীয়ভাবে তাঁর অনুসারীরা ছিল সরব। তবে জামায়াত ও শিবিরের সাংগঠনিক নেতাদের কাউকে গত ৮ দিন ডা. আবু নাছেরের পক্ষে কোনো গণসংযোগে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
জানা গেছে, বোয়ালখালী উপজেলার নায়েবে আমির ডা. আবু নাছের চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াতের সবুজ সংকেত পেয়ে এই আসনে প্রচারণা চালিয়ে বেশ আলোচিত হন। বোয়ালখালীর এই বাসিন্দার দলীয় দায়িত্ব ছোট হলেও নিজে চিকিৎসক নেতা এবং চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ও চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত পান তিনি।
এছাড়া বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও তিনি সম্পৃক্ত।
প্রায় তিন দশক ধরে চান্দগাঁও ও বোয়ালখালী এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে তিনি জড়িত। দেড় বছর ধরে উঠান বৈঠক, মেডিকেল ক্যাম্প ও সামাজিক সহায়তা দিয়ে ভোটের মাঠে আলোচনায় আছেন তিনি। এসব কারণে দলীয় গণ্ডির বাইরে তাঁর রয়েছে বিশাল ব্যক্তিগত অনুসারী। জামায়াতের সাংগঠনিক নেতারা ১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত মেনে ডা. নাছেরের পক্ষে গণসংযোগ থেকে বিরত থাকলেও তাঁর অনুসারীরা এই সিদ্ধান্ত মেনে নেননি।
তারা ডা. আবু নাছেরের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার অনেকদিন পর এনসিপির পক্ষ থেকে প্রার্থী করা হয় চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা সাতকানিয়ার বাসিন্দা জোবায়রুল হাসান আরিফকে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পেশা হিসেবে হলফনামায় নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই অঞ্চলে একেবারেই নতুন মুখ হিসেবে নির্বাচনি মাঠে নেমে বেশ বেকায়দায় আছেন এই প্রার্থী। নিজ দল এনসিপি ও এনসিপির অঙ্গ সংগঠনকেও এখনো এই আসনে মাঠে নামাতে পারেননি তিনি। জাতীয় যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশও নেমেছে আরিফের বিরোধীতায়৷ অনেকেই প্রকাশ্যে ফেসবুকে লিখছেন আরিফের বিরুদ্ধে। তারা বলছেন, ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন ভোটারের এই আসনটিতে নতুন মুখ জোবায়রুল আরিফকে প্রার্থী করার যৌক্তিকতা নেই। কিন্তু ১১ দলীয় জোটের হিসেবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম-৮ আসনের জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ডা. মো. আবু নাছের বলেন, ১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তের কারণে আমি গত ৮ দিন কোনো প্রচারণায় বের হয়নি। বাসাতেই ছিলাম। কিন্তু বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে কাজ করা সাধারণ মানুষ আমাকে বাসা থেকে বের করে এনেছে। এখন আমার উপায় কি? আমি এই জনপদ ছেড়েতো আর চলে যেতে পারবো না। তাদের মায়া আমি কি করে ত্যাগ করবো? আমাকে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য করছে।
এ বিষয়ে এনসিপি প্রার্থী জোবায়রুল হাসান আরিফ বলেন, এ পরিস্থিতিতে দলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি না হয় তাহলে জোটে এর প্রভাব পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com